খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
আজঃ বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬
শিরোনাম:
নৌযান চলাচল স্বাভাবিক করতে জাহাজ শ্রমিক ফেডারেশনের নির্দেশনা বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অগ্রগতি  মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের অভিষেক অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী  বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক হলেন ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল মুন্সীগঞ্জে পরিচ্ছন্নকর্মীদের বহুতল ভবন হস্তান্তর জুনে আবারও সিন্ডিকেটের কবলে পল্লী দারিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশন ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন যুবদল নেতা মনজিল মুন্সীগঞ্জে সামাজিক সংগঠন সহসত্তা’র আত্মপ্রকাশ গজারিয়ায় সম্ভাব্য মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীকে হুমকি,থানায় অভিযোগ মুন্সীগঞ্জে ভাসমান অবস্থায় ১ ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার মুন্সীগঞ্জে লুট হওয়ার পর ফেরত ২১৯ আগ্নেয়াস্ত্র ও ৭৮২৫ রাউন্ড গোলাবারুদ হস্তান্তর টঙ্গিবাড়ীতে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে স্ত্রীকে হত্যা করল স্বামী টঙ্গিবাড়ীতে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে স্ত্রীকে হত্যা করল স্বামী মালয়েশিয়ায় আগুনে পুড়ে নিহত ৩ প্রবাসীর জানাজা ও দাফন সম্পন্ন  পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মামলা জট বাংলাদেশে, বর্তমানে পেন্ডিং ৪৩ লাখ মামলা ১৬ বছরের পা রাখলো ‘কালের ছবি’ টঙ্গিবাড়ীতে ন্যায্যমূল্যে সবজি বিক্রি করছে শিক্ষার্থীরা আবারও সক্রিয় মেঘনা-গোমতী নদীর আতঙ্ক জলদস্যু জিতু ও তার বাহিনী মুন্সীগঞ্জে রোড মার্চ, পথসভা ও গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠান ঘিরে উজ্জীবিত জেলা বিএনপি চরকেওয়ার মাহমুদিয়া মাদরাসা ও ইসলামী কিন্ডারগার্টেনে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত দুই মাসের মধ্যে মুন্সীগঞ্জে মেডিক্যাল কলেজের কাজ উদ্বোধন করা হবে-স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা Descubre las joyas ocultas de los sitios gemelos de Golden Lady Casino মুন্সীগঞ্জে ছাত্র-জনতার জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান  দিবস উদযাপনে প্রতীকী ম্যারাথন Pinnacle Eastpak der unvergleichliche Stil für echte Abenteurer আপোষহীন নক্ষত্রের অন্তিম বিদায় ৪ ডিসেম্বর চুড়ান্ত যুদ্ধ, মুন্সীগঞ্জ মুক্ত ১১ ডিসেম্বর মুন্সীগঞ্জে ক্রয়কৃত সম্পত্তিতে ঘর তুলতে বাঁধা প্রতিবেশী মোল্লাকান্দি বিএনপির বিরোধে তুহিনের পর নিহত হল আরিফ বিসিআর সম্মাননা পেলেন মুন্সীগঞ্জের ডালিম রহমান বিএনপির দুই গ্রুপের বিরোধে  মুন্সীগঞ্জে গুলিতে তুহিন নিহত

আবারও সিন্ডিকেটের কবলে পল্লী দারিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:২৮ অপরাহ্ণ
আবারও সিন্ডিকেটের কবলে পল্লী দারিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশন

পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের আওতাধীন পল্লী দারিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশন আবারো সিন্ডিকেটের কবলে পড়ছে। আবারো বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর কতিপয় দুর্নীতিবাজ কর্মচারী সিবিএ নামধারী গোষ্ঠী নতুন মোড়কে রং পাল্টে সুপরকিল্পতিভাবে তাদের পুরনো সাম্রাজ্য পুনঃপ্রতিষ্ঠার সকল আয়োজন সম্পন্ন করেছে। পল্লী দারিদ্র বিমোচন ফাউন্ডশেন আইন ১৯৯৯ মূলে পল্লী বাংলার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দারিদ্র্য বিমোচন ও অর্থনৈতিক ব্রত নিয়ে পিডিবিএফ একটি অমুনাফাকাঙ্খী আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে।

কিন্তু যাত্রার শুরু থেকেই পিডিবিএফ আইনের কিছু কাঠামোগত দুর্বলতার কারণে বিশেষত: প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে চুক্তিভিত্তিক বেসরকারি ব্যক্তি নিয়োগের সুযোগ থাকায়, চুক্তিভিত্তিক ব্যবস্থাপনা পরিচালকগণ নিজের চুক্তি টিকিয়ে রাখতে নীতি ও আদর্শ বিসর্জন দিয়ে এবং প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে নিজের পদে যেকোন মূল্যে টিকে থাকার প্রতি অধিকতর মনোনিবেশ করতো। সেই সাথে এই প্রতিষ্ঠানে সিবিএ কার্যক্রম পরচিালনার সুযোগ থাকায়, দলীয় ব্যানারে সিবিএ’র নামে কতিপয় দুর্নীতিবাজ কর্মচারী নেতাদের সাথে চুক্তিভিত্তিক ব্যবস্থাপনা পরিচালকের অশুভ আঁতাত করে প্রতিষ্ঠানটি ধারাবাহিকভাবে দুর্নীতি ও অনিয়মের মধ্য দিয়ে চলতে থাকে।

অশুভ এই আঁতাতের মূল ভিত্তি হলো- পারস্পারিক স্বার্থ চরিতার্থ করা। অর্থাৎ একদিকে চুক্তিভিত্তিক ব্যবস্থাপনা পরিচালক দুর্নীতিবাজ সিবিএ সিন্ডিকেট কে অন্যায় সুবিধা প্রদান করবে আর বিনিময়ে ব্যবস্থাপনা পরচিালককে তার পদে বহাল রাখতে কথিত সিবিএ নেতাদের সমর্থন লাভ করবে। এভাবে পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে বিগত ২৫ বছর বিশেষ করে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের ১৬ বছরে প্রতিষ্ঠানটি অনিয়ম দুর্নীতি ও নৈরাজ্যের স্বর্গ রাজ্যে পরিণত হয়।

জুলাই ২০২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের পর পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের রেখে যাওয়া ১৬ বছরের অন্যায়, অনিয়ম ও অপরাজত্বের এ সিন্ডিকেট চরম প্রতিরোধের মুখে পড়ে। ফ্যাসিস্ট সরকারের নিযুক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালকের চুক্তি বাতিল করা হলে, নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে প্রতিষ্ঠানটির ইতিহাসে প্রথমবাররে মতো জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় হতে প্রেষণে একজন যুগ্মসচিবকে পরিচালক পদে পদায়ন করা হয়।

তৎপরর্বতীতে প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় হতে তাকে ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব প্রদান করা হয়। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহীর পদে জনপ্রশাসনের নিয়মিত এই কর্মকর্তা সকল প্রকার নৈরাজ্য ও অনিয়ম দূর করে শৃঙ্খলা ও আনুগত্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অত্যন্ত সুদৃঢ় ও অনমনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে। প্রতিষ্ঠানটির সকল কাজে অনয়িম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করায় সিবিএ নামধারী স্বার্থনেষী দুষ্টচক্রের সকল অন্যায় উর্পাজনের পথ রুদ্ধ হয়।

অগ্রাধিকার চিহ্নিতপূর্বক প্রতিষ্ঠানটির সামগ্রিক উন্নয়নে জোরালো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। অর্ন্তবর্তী সরকারের এই স্বল্প সময়ের মধ্যে এর প্রধান কার্যালয়ের ভবন ক্রয়-কার্য সম্পাদন; ১৬৬৫ জন জনবল নিয়োগ; ১০৫২ জন কর্মকর্তা -কর্মচারীকে পদোন্নতি; আয়কর প্রদান সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন; আগারগাঁও প্রশাসনিক এলাকায় প্রধান কার্যালয় স্থানান্তরের জন্য সরকারি জমি বরাদ্দ প্রাপ্তি এবং সর্বোপরি প্রতিষ্ঠানটিতে কর্মরত হাজারো কর্ম কর্তাকর্তা-কর্মচারীর জন্য সর্বত্র সুস্থ কর্মপরিবেশ তৈরি করা হয়।

কিন্তু স্বার্থান্বেষী সক্রিয় এই সিন্ডিকেটের সকল অন্যায় উর্পাজনের একমাত্র প্রতিবন্ধকতা হিসেবে প্রেষণে নিযুক্ত যুগ্মসচিব’কে সরিয়ে দেবার জন্য তারা মরিয়া হয়ে ওঠে। পেশাদার এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমুলকভাবে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে বেনামি, অসত্য, বানোয়াট অভিযোগ দায়ের, ফেক ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার; টাকার বিনিময়ে কতিপয় দুর্নীতিপরায়ন সাংবাদিক দিয়ে গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিমুলক সংবাদ পরবিশেনসহ নানারূপ নোংরা ও অরুচিকর অপচেষ্টা অব্যাহত রাখে।

মন্ত্রণালয়ে নতুন কোন সচিব, উপদেষ্টা কিংবা মন্ত্রী দায়িত্ব গ্রহণ করলেই এই সিন্ডিকেট তাদেরকে বিভ্রান্ত করতে একইভাবে পুরনো অভিযোগ নতুন করে দায়ের করে। তথাপি তাদের অন্যায় হুমকি ও ষড়যন্ত্রের নিকট নিকট মাথা নত না করে সিন্ডিকেটে জড়িত ক্যক্তিদের নামপিরিচয় উল্লেখ করে তাদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থা’কে নানা সময় লিখিতভাবে অবহিত করা হয় এবং তাদের অর্ন্তঘাতমূলক কর্মকান্ড মোকাবেলা করতে স্থানীয় থানায় প্রয়োজনীয় আইনানুগ পদক্ষপে গ্রহণ করা হয়।

১২ই জানুয়ারী ২০২৬ জাতীয় নির্বা চনের পর নতুন রাজতৈনিত সরকার দায়িত্নব গ্র্বিারহণ করলে পিডিবিএফ পরিবারের হাজারো কর্মকর্তা-কর্মচারীর মাঝে আশার সঞ্চার হয় যে, এবার হয়তো সুদিন ফিরবে। কিন্তু বড়েই পরিতাপের বিষয় বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় জুড়ে চিহ্নিত একই ব্যক্তিবর্গ এখন খোলস পাল্টে নতুন মোড়কে তাদের অন্যায় দুর্নীতির সামাজ্য পুন:প্রতিষ্ঠার নীল নকশা আঁকতে শুরু করে। অর্ন্তবর্তীকালীন সরকারের বিদায় ও জাতীয় নির্বাচন চলাকালীন একটা ট্রানজিশন সময়কালকে পুঁজি করে ষড়যন্ত্রের কুটকৌশলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নিযুক্ত যুগ্নসচিবকে ১৫ই ফেব্রুয়ারী ২০২৬ তারিখ অন্যত্র সরিয়ে দিতে সক্ষম হয় এবং এরই মধ্য দিয়ে পিডিবিএফ ইতিহাসের সফলতম অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটে। শয়তানী সিন্ডিকেটের বিজয় অর্জিত হয়।

সঙ্গবদ্ধ অপশক্তির কাছে ন্যায়ের লড়াই পরাজিত হয়। এখানেই শেষ নয়, সিন্ডিকেটের দুর্নীতির সাম্রাজ্যকে আরো বাধাহীন করতে তাদের অপর প্রতিবন্ধকতা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় হতে প্রেষণে নিযুক্ত অপর পরচিালককেও বিগত ৮ এপ্রিল ২০২৬ অন্যত্র বদলি করতে সক্ষম হয়। অর্থাৎ পিবিডিএফ কর্মচারী চাকরি প্রবিধানমালার বিধান অনুযায়ী প্রেষণে পদায়নকৃত দুইজন পরচিালককেই এই সিন্ডিকেট সরিয়ে দিতে সক্ষম সক্ষম হয়।

একই সাথে এই সিন্ডিকেটের চক্রান্তেই প্রতিষ্ঠানের আইন ও প্রবিধানমালা লঙ্ঘন করে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের এক কর্মকর্তাকে পিডিবিএফ-এর ব্যবস্থাপনা পরচিালকের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির জন্য প্রণীত আইন ও প্রবিধানমালায় প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় থেকে কাউকে সরাসরি অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদানের সুযোগ নেই। প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরচিালকের অনুপস্থিতিতে শুধুমাত্র প্রেষণে/ সরাসরি নিযুক্ত পরিচালকগণের মধ্য থেকে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরচিালকের দায়িত্ব প্রদানের সুযোগ রয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় হতে ধারাবাহিকভাবে প্রেষণে পরিচালকের দুইটি পদে যুগ্মসচিব পদায়ন এবং পল্লী দারিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশন আইন, ১৯৯৯ সংস্কার/সংশোধনর্পূবক প্রধান নির্বাহী পদে সরকাররে উপযুক্ত কর্মকর্তা পদায়ন করা না হলে প্রতিষ্ঠানটির ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা ও সরকারের কর্মসুচী সুচারুরূপে বাস্তবায়ন দুরূহ হয়ে পড়বে।

পল্লী বাংলার দারিদ্র বিমোচনে অন্যতম অগ্রসেনানী পিডিবিএফ নামক প্রতিষ্ঠানটিতে সুশাসন, সুস্থ কর্ম পরিবেশ, প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন ও সক্ষমতা তৈরীর ধারাবাহিকভাবে টেকসই করতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় হতে প্রেষণে পরিচালকের পদায়ন অব্যাহত রাখা যেমন জরুরী তেমনি ভাবে প্রতিষ্ঠানটির মূল সংকট পল্লী দারিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশন আইন, ১৯৯৯-এর যুগোপযোগী সংস্কারের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠাটির ব্যবস্থাপনা কাঠামোর কাংখিত পরিবর্তন আনা তেমনি অপরিহার্য। সূত্র- বৈশাখী টিভি অনলাইন

 

নৌযান চলাচল স্বাভাবিক করতে জাহাজ শ্রমিক ফেডারেশনের নির্দেশনা

কাজী দীপু, বিক্রমপুর পোস্ট ডেক্স
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ণ
নৌযান চলাচল স্বাভাবিক করতে জাহাজ শ্রমিক ফেডারেশনের নির্দেশনা

 

 চলমান নৌ-ধর্মঘট নিয়ে দেশের সকল স্তরের নৌযান শ্রমিকদের অবগতির জন্য জরুরি বিজ্ঞপ্তী জারি করে নির্দেশনা দিয়েছেন বাংলাদেশ জাহাজ শ্রমিক ফেডারেশন। শুক্রবার বিকেলে কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি হাজী মো:গোলাম কিবরিয়া, সহ সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান মজুমদার ও সাধারণ সম্পাদক সবুজ শিকদার স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে ।

জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আমাদের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির বিষয়ে কেন্দ্রীয় কাযনির্বাহী সংসদের এক জরুরি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। যা সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতি করা কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের দায়িত্ব। নিন্মে সিদ্ধান্ত গুলো:

১.দেশের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায়: দেশের বর্তমান সার্বিক পরিস্থিতি, অর্থনৈতিক অবস্থা এবং আমাদেরে এই সেবার সাথে জড়িত সাধারণ মানুষের সাময়িক ভোগান্তির কথা গভীরভাবে চিন্তা করে আমরা এই মুহূর্তে কোনো প্রকার ধর্মঘট বা কমবিরতিতে না যাওয়ার চুড়ান্ত ও সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত গ্ৰহণ করেছি।

২. স্বাভাবিক কার্যক্ৰম অব্যাহত রাখা: ফেডারেশনের পক্ষ থেকে দেশের কোথাও কোনো ধরনের বন্ধ’ বা ধর্মঘট ডাকা হবে না। সকল নৌপথের নৌযান চলাচল এবং শ্রমিক ভাইদের দৈনন্দিন কর্মতৎপরতা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ও গতিশীল রাখার জন্য কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হলো।

৩. স্মারকলিপি প্ৰদান ও পরবর্তী পদক্ষেপ: আমরা আমাদের ন্যায্য অধিকার ও দাবিগুলো থেকে বিন্দুমাত্র বিচ্যত হইনি| দেশের পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল হওয়ার সাথে সাথেই আমরা আমাদের সুনির্দিষ্ট দাবি সস্বলিত স্মারকলিপি যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে জোরালো ভাবে পেশ করব।

বাংলাদেশ জাহাজ শ্রমিক ফেডারেশন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি হাজী মো:গোলাম কিবরিয়া বলেন, দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, যেকোনো সংকটময় মুহূর্তে চরম ধৈর্য, নিয়মতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমেই শ্রমিকের স্থায়ী অধিকার ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব। তাই কোনো প্রকার উস্কানিতে তাল না মিলিয়ে ধৈর্যের সাথে সকলকে নিজ নিজ কর্মস্থলে দায়িত্ব পালনের উদাত্ত আহ্বান জানান তিনি।

বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অগ্রগতি 

কাজী সাব্বির আহমেদ দীপু
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ১:৪৬ পূর্বাহ্ণ
বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অগ্রগতি 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বর্তমান সরকারের ঘোষিত নির্বাচনী ইশতেহারের বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে গৃহীত কার্যক্রম মুন্সীগঞ্জেও বিভিন্ন কর্মসূচির অগ্রগতি দৃশ্যমান হয়েছে। বুধবার মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভা কক্ষে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অগ্রগতি- জাতীয় ও মুন্সীগঞ্জ সংক্রান্ত কার্যক্রম তুলে ধরার লক্ষ্যে প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করে জেলা প্রশাসন।

জেলা প্রশাসক  সৈয়দা নুরমহল আশরাফী প্রেস ব্রিফিংয়ে জানিয়েছেন, বর্তমান সরকারের ঘোষিত নির্বাচনী ইশতেহারের বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে

এর মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় মার্চ মাস থেকে উপকারভোগীদের তথ্য সংগ্রহ ও ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১০ মার্চ  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের একজন নারী সদস্যকে মাসিক ২,৫০০ টাকা সহায়তা প্রদান করা হবে। মুন্সীগঞ্জে জুলাই মাস  থেকে কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

তিনি আরও জানান, গত ১৪ এপ্রিল ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়। এর মাধ্যমে কৃষকদের সার, বীজ, কৃষিঋণ ও ভর্তুকি ডিজিটাল ব্যবস্থায় প্রদান করা হবে। একই সঙ্গে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচির আওতায় মুন্সীগঞ্জে এলজিইডির ৩টি এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের ৬টি প্রকল্প চলমান রয়েছে। টঙ্গীবাড়ির  মটুপুকুর সিদ্ধেশ্বরী বাজার খালের ৫২ ভাগ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া গজারিয়া, শ্রীনগর, টঙ্গীবাড়ি ও সিরাজদীখানে বিভিন্ন খাল পুনঃখনন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও উল্লেখ করা হয়, পরিবেশ সংরক্ষণে সরকার ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে মুন্সীগঞ্জে আগামী ১৮০ দিনে মোট ১ লাখ ১২ হাজার ৪০০টি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

নারীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে বিশেষ পরিবহন সুবিধা চালুর লক্ষ্যে নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে।

মুন্সীগঞ্জ জেলা তথ্য অফিস বিভিন্ন সভা-সমাবেশ, উঠান বৈঠক ও প্রচারণার মাধ্যমে জনগণকে এসব কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করছে। সার্বিকভাবে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের বাস্তবায়ন কার্যক্রম জনগণের মধ্যে আশাবাদ সৃষ্টি করেছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোছাব্বেরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, পিপিএম, জেলা তথ্য অফিসার রহিমা আক্তার, মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি আতিকুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক গুলজার হোসেন এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রতিনিধিগণ।

 

মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের অভিষেক অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৪:২৩ অপরাহ্ণ
মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের অভিষেক অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী 

মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, একটি আধুনিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনে দেশে স্বাধীন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠা করা বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান প্রতিশ্রুতি। তাই বর্তমান সরকার তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্যে স্বাধীন গণমাধ্যম নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মুন্সীগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে  প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী উপরোক্ত কথা বলেন।

তথ্য মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারলে সমাজ, রাষ্ট্র ও রাজনীতি লাগাতার জবাবদিহিতার মধ্যে থাকবে। আর এসকল প্রতিষ্ঠান জবাবদিহিতার মধ্যে থাকলে রাষ্ট্রের উন্নয়ন হবে। রাষ্ট্রের শাসন কার্য স্বচ্ছ হবে। স্বাধীন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠা ও অপ-সাংবাদিকতা রুখতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহন করেছে সরকার

তথ্য মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘তথ্যের অবাধ সরবরাহ এখন আর বড় বাধা নয়, বরং তথ্যের সাথে নিজের রঙের মাধুরী মিশিয়ে সত্যকে আড়াল করার প্রবণতাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। সত্যকে বিচিত্র পাত্রে রেখে বিভ্রান্ত করার যে প্রচেষ্টা চলে, তাকে আমাদের মোকাবিলা করতে হবে।

গণমাধ্যমের চতুর্থ স্তম্ভ ও চ্যালেঞ্জ বিষয়ে মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, গণমাধ্যম আধুনিক সভ্য রাষ্ট্রের চারটি স্তম্ভের অন্যতম। একটি সভ্য রাষ্ট্রের জন্য মুক্ত গণমাধ্যম অপরিহার্য।

অবাধ তথ্য প্রবাহের গুরুত্ব তুলে ধরে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, অক্সিজেনের অভাবে যেমন মানুষ বাঁচে না, তেমনি তথ্যের অভাবে গণতন্ত্র বাঁচে না। কিন্তু সেই তথ্য যদি দূষিত হয়, তা সমাজের জন্য ক্ষতিকর।

তথ্য মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, নৈরাজ্য পূর্ণ সংবাদ মাধ্যমের কারণে গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত হয়। সংবাদ মাধ্যম স্বাধীন থাকলে গণতন্ত্র সমৃদ্ধ হয়। জনগণের অধিকার সঠিক তথ্য পাওয়া সংবাদ কর্মীদের সব সময় সঠিক তথ্য উপস্থাপন করতে হবে। সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হবে।

তিনি বলেন, আমরা স্বাধীন গণমাধ্যম নিশ্চিত করতে সংবাদপত্রের সাথে জড়িত সকল সংগঠনের সাথে কথা বলছি। সংবাদ মাধ্যমের সঠিক নীতিমালা তৈরি করতে পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে। টিআরপির নামে কোন সংবাদ মাধ্যম কে সরকারি সুযোগ সুবিধা দেওয়া হবে না।

মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি আতিকুর রহমান টিপুর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন,  জেলা পরিষদ প্রশাসক এ কে এম ইরাদত মানু, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মৌসুমী মাহাবুব, ঢাকা চেম্বার্স অব কমার্সের সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার  সাইফুল ইসলাম বাবু। এছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য সুলতান আহমদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলজার হোসেন।

০৫.০৫.২০২৬

2