মুন্সীগঞ্জে লুট হওয়ার পর ফেরত ২১৯ আগ্নেয়াস্ত্র ও ৭৮২৫ রাউন্ড গোলাবারুদ হস্তান্তর
মুন্সীগঞ্জে লুট হওয়ার পর ফেরত ২১৯ আগ্নেয়াস্ত্র ও ৭৮২৫ রাউন্ড গোলাবারুদ হস্তান্ত
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সরকার পতনের পর মুন্সীগঞ্জ থানা, সদর ফাঁড়ি ও ট্রাফিক অফিস এবং টঙ্গীবাড়ি থানা থেকে লুট হওয়া ফেরত আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে সেনাবাহিনী। গতকাল রোববার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে জেলা সার্কিট হাউজে পুলিশ সুপার মো. আসলাম খানের কাছে ১৯-বীররের পিএসসি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল জুবায়ের মোহাম্মদ খালেদ হোসেন এসব হস্তান্তর করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ক্যান্টেন মো. রিফাত রহমান ও ক্যাপেন্ট চার্লস। হস্তারন করা আগ্নেয়াস্ত্রের মধ্য মুন্সীগঞ্জ থানা, সদর ফাঁড়ি ও ট্রাফিকের রয়েছে ১৪০টি রাইফেল, পিস্তল ও শর্টগান এবং ৩ হাজার ৯৩৪ রাউন্ড গোলাবারুদ। এছাড়া এসময় হস্তারন করা হয়েছে লুটের পর উদ্ধার হওয়া নগদ ১ লাখ ৯ হাজার টাকা ও বিভিন্ন সরঞ্জামাদি।
এছাড়া দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে টঙ্গীবাড়ি থানা কার্যালয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসলাম হোসাইন ও পুলিশের কর্মকর্তাদের কাছে লুট হওয়া ৭৯ টি অস্ত্র ও ৩৮৯১ টি গোলাবারুদ বুঝিয়ে দেন সেনা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন চার্লস। দুই থানা, সদর ফাঁড়ি ও ট্রাফিকের ২১৯ আগ্নেয়ান্ত্র ও ৭৮২৫ রাউন্ড গোলাবারুদ হস্তান্তর করা হয়।
মুন্সীগঞ্জে দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্ণেল জুবায়ের মোহাম্মদ খালেদ হোসেন বলেন, লুট হওয়া বেশিরভাগ জিনিস নাগরিকরা সেনাবাহিনীর আহবানে জমা দিয়েছেন। এছাড়া বেশ কিছু জায়গায় সেনাবাহিনী অভিযান চালিয়ে অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে। সরকারি অস্ত্রসহ লুট হওয়া যে কোন সরঞ্জাম কোন নাগরিকদের কাছে এখনো রয়ে গেলে আগামী ২৩ আগস্টের মধ্যে জমা দিতে হবে। এর পরে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
প্রসঙ্গত: গত ৫ আগষ্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর মুন্সীগঞ্জ সদর থানা, সদর পুলিশ ফাঁড়ি ও ট্রাফিক অফিসে দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়ে বিপুল পরিমানের আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ লুট করে।#
