মুন্সীগঞ্জে ২০ লাখ ৫০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ
হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রায় দলটির নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমসহ নেতাকর্মীদের উপর হামলার প্রতিবাদে মুন্সীগঞ্জে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) বিকাল ৫টার দিকে শহরের মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের প্রধান ফটকের সামনে এ সমাবেশের আয়োজন করে জাতীয় নাগরিক পার্টি মুন্সীগঞ্জ। সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল বের তারা।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, হবিগঞ্জে এনসিপির শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলার ঘটনা নিন্দনীয় ও গণতান্ত্রিক অধিকারের পরিপন্থী। তারা হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। পাশাপাশি ভবিষ্যতে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে হামলা ও সহিংসতা বন্ধে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টি মুন্সীগঞ্জের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী আব্দুল আলীম, জেলা সদস্য সচিব মারুফ হাসান মন্টি, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ফারজানা আক্তার, এম এ কাইয়ুম, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব আনিস-উর-রহমান, জেলা যুবশক্তির আহ্বায়ক আজিম সরদার বিপ্লব এবং ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক শিশির হাসান প্রমুখ।
মুন্সীগঞ্জ সদরের কেওয়ার এলাকায় জমি-সংক্রান্ত বিরোধে আদালতের রায় উপেক্ষা করে স্থাপনা ভাংচুর ও সন্ত্রাসী তৎপরতার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষ হারুন বেপারী গংদের বিরুদ্ধে। গত মঙ্গলবার সকালে মহাকালি দক্ষিণ কেওয়ার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভোক্তভোগী আজিম মন্ডল পক্ষে মুন্সীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
স্থানীয় ও মামলা সূত্রে জানাযায়, দক্ষিণ কেওয়ার এলাকার বড় কেওয়ার মৌজার আরএস খতিয়ান নং-৬৫২ ও আরএস দাগ নং-২৪১২-এর সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন আজিম মন্ডল গংদের সাথে ধরে প্রতিবেশী হারুন বেপারী- মিতা বেগমসহ আরও কয়েকজনের সঙ্গে বিরোধ চলে আসছে। এ বিষয়ে আদালতে মামলা হলে আদালত মামলার ২নং বিবাধী হারুন বেপারী ও ৩নং বিবাদি মাসুদ বেপারীকে ওক্ত জমিতে প্রবেশ করা, গাছ কর্তন, কোন কাজে বাঁধা দেওয়া হতে বিরত থাকার জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করে।
এদিকে আজিম মন্ডলের অভিযোগ, আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ওই জমি একটি টিনের বেড়া ও একটি পাকের ঘর ভাংচুর করে। মাসুদ বেপারীর স্ত্রী মিতা বেগম লোকজন ভাংচুর করে। এছাড়াও সন্ত্রাসী দিয়ে তাদের হুমকি দেয়। ঘটনায় পরিবার উৎকন্ঠার মধ্যে রয়েছে।
আজিম মন্ডল বলেন, আমার বিভিন্ন স্থাপনা ভাংচুর করা হয়েছে। বাড়িতে কিছু সন্ত্রাসী গিয়েছে। বিভিন্ন হুমকি ধামকি দিয়েছে। আমি এর বিচার চাই।
এবিষয়ে জানতে হারুন বেপারীর বাড়িতে গেলে তাকে ও তার স্ত্রী মিতা বেগমকে পাওয়া যায়নি। উপস্থিত তাদের মেয়ে এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হয়নি। পরে মুঠোফোনে মিতা বেগমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমরা স্থাপনা ভাংচুর করিনি। উচ্চ আদালক থেকে আমরা রায় পেয়েছিলাম। ওনারা মামলা নিন্ম আদালতে এনেছে। এখন আদালত কি রায় দিয়েছে দেখিনি।
এবিষয়ে অভিযোগ অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে সদর থানা পুলিশ।
শরীয়তপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন (এসজেইউ)-এর কোষাধ্যক্ষ হিসেবে সর্বসম্মতিক্রমে মনোনীত হয়েছেন দৈনিক আমাদের সময় ও বাংলানিউজ ২৪ ডটকমের শরীয়তপুর জেলা প্রতিনিধি মো. রোমান আকন্দ।
রোববার (১২ জুলাই) বিকেলে শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও বার্ষিক ফল উৎসব শেষে অনুষ্ঠিত সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
এছাড়াও সভায় দৈনিক হুংকার-এর নির্বাহী সম্পাদক ও ভোরের ডাক-এর শরীয়তপুর জেলা প্রতিনিধি এম. হারুন অর রশিদ সভাপতি, সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও দিনকাল-এর শরীয়তপুর জেলা প্রতিনিধি মো. আল-আমিন শাওন পুনরায় সাধারণ সম্পাদক এবং চ্যানেল এস-এর শরীয়তপুর জেলা প্রতিনিধি মো. খোরশেদ আলম বাবুল সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন।
নবনির্বাচিত কোষাধ্যক্ষ রোমান আকন্দ বলেন, “শরীয়তপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন হবে পেশাদার, স্বাধীন ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকদের একটি ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম। সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা, অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দক্ষতা উন্নয়ন, নৈতিক সাংবাদিকতা চর্চা এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধিতে সংগঠনটি কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। সকলের সহযোগিতায় একটি শক্তিশালী, গণতান্ত্রিক ও কল্যাণমুখী সাংবাদিক সংগঠন গড়ে তুলতে আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করব।”
আলোচনা সভা ও বার্ষিক ফল উৎসব শেষে নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। এ সময় সংগঠনের সদস্যবৃন্দ এবং স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, মো. রোমান আকন্দ এর আগে শরীয়তপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও শরীয়তপুর প্রিন্ট মিডিয়া জার্নালিস্ট এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।