খুঁজুন
, ,
আজঃ ,
শিরোনাম:
মুন্সীগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হামলা, আহত ৫ পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর ৫৪৮ সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত ১৪৭ অন্তরবর্তী সরকারের সময় থেকে দেশে রেমিট্যান্স আয় বেড়েছে স্বামীর মৃত্যুতে ১২ ঘন্টার জন্য মুক্তি পাচ্ছেন দীপু মনি দুই বছর পেরিয়েছে অধরা অস্ত্রধারীরা, উদ্ধার হয়নি  অস্ত্র মুন্সীগঞ্জে ৪ কেজি গাজাসহ গ্রেফতার এক সরকারি হরগঙ্গা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আবুল কাশেমের ইন্তেকাল মুন্সীগঞ্জে অবৈধ ড্রেজারে বালু ভরাটের দায়ে লাখ টাকা জরিমানা মুন্সীগঞ্জে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা নিরাপদ অভিবাসন ও দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ে মুন্সীগঞ্জে সেমিনার মুন্সীগঞ্জে সাংবাদিক বাবুর বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ডেপুটি অ্যাটর্নি-জেনারেল হলেন মুন্সীগঞ্জের সম্রাট মুন্সীগঞ্জ আদালতের সরকারী আইনজীবীদের তালিকা পরিবর্তন মুন্সীগঞ্জে এনসিপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ মুন্সীগঞ্জে আদালতের রায় উপেক্ষা করে স্থাপনা ভাংচুরের অভিযোগ শরীয়তপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের কোষাধ্যক্ষ হলেন রোমান আকন্দ মুন্সীগঞ্জে দুই পক্ষের হামলা-সংঘর্ষ, আহত ১২ মুন্সীগঞ্জে আরিফ হত্যার রহস্য উন্মোচন করল পিবিআই নৌযান চলাচল স্বাভাবিক করতে জাহাজ শ্রমিক ফেডারেশনের নির্দেশনা বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অগ্রগতি  মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের অভিষেক অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী  বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক হলেন ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল মুন্সীগঞ্জে পরিচ্ছন্নকর্মীদের বহুতল ভবন হস্তান্তর জুনে আবারও সিন্ডিকেটের কবলে পল্লী দারিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশন ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন যুবদল নেতা মনজিল মুন্সীগঞ্জে সামাজিক সংগঠন সহসত্তা’র আত্মপ্রকাশ গজারিয়ায় সম্ভাব্য মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীকে হুমকি,থানায় অভিযোগ মুন্সীগঞ্জে ভাসমান অবস্থায় ১ ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার মুন্সীগঞ্জে লুট হওয়ার পর ফেরত ২১৯ আগ্নেয়াস্ত্র ও ৭৮২৫ রাউন্ড গোলাবারুদ হস্তান্তর টঙ্গিবাড়ীতে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে স্ত্রীকে হত্যা করল স্বামী

মুন্সীগঞ্জে বেড়েই চলেছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা

মো. নাজির হোসেন
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ৫:১২ অপরাহ্ণ
মুন্সীগঞ্জে বেড়েই চলেছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা
মুন্সীগঞ্জের হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। উদ্বেগজনক হারে একদিকে বাড়ছে মশার উপদ্রব অন্যদিকে বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা। শুধু মুন্সীগঞ্জ সদর হাসপাতালে রোববার দুপুর ১ টার আগের ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছে। ২ জন ডেঙ্গু রোগী। ওই হাসপাতালে বর্তমানে ভর্তি রয়েছে ২০ জন। এ মাসে এই হাসপাতাল হতে চিকিৎসা নিয়েছে মোট ১৩৪ জন। চলতি মৌসুমে মোট চিকিৎসা নিয়েছে ২২০ জন। এ চিত্র দেখলেই বুঝা যায় ক্রমেই বেড়ে চলেছে মুন্সীগঞ্জ হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগের সংখ্যা।
শুধু মুন্সীগঞ্জ সদর নয় টঙ্গীবাড়িতেও গত কয়েকদিনে চিকিৎসা নিয়েছেন ১৪ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী। এখনো ভর্তি রয়েছেন ৩ জন। গজারিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সহ অন্যান্য হাসপাতালগুলোর একই চিত্র। স্থানীয়দের অভিযোগ, এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে যথাযথ ব্যবস্থা না থাকায় বাড়ছে মশাবাহিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যা।
আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ায় ইতিমধ্যে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের  মধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে আলাদা ডেঙ্গু কর্নার। এদিকে চিকিৎসকদের দেয়া তথ্যানুযায়ী, মশাবাহিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত হাসপাতালে টিকিট কেটে চিকিৎসা নিয়েছে  কয়েক শতাধিক মানুষ। পাশাপাশি জ্বরে আক্রান্ত অসংখ্য মানুষের মধ্যে ডেঙ্গুর সব ধরনের লক্ষণ থাকলেও প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ডেঙ্গু শনাক্ত না হওয়ার বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। তবে শিগগিরই এডিস মশার নিয়ন্ত্রণে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার কথা জানিয়েছে জেলা প্রশাসক।
সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায়, মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ডেঙ্গু কর্নারে মশারি টানিয়ে চলছে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা। একই সঙ্গে হঠাৎ করে প্রতিদিন বাড়ছে মশার উপদ্রব। বাসাবাড়ি, অফিস কিংবা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থানে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে কয়েল কিংবা স্প্রে দিয়েও কমানো যাচ্ছে না মশা।
সরেজমিনে মুন্সীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে আরো দেখা যায়, গত সপ্তাহের বুধবার হতে কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে তৈরি হয়েছে জলাবদ্ধতা। স্বচ্ছ পানির ময়লার ড্রেন ও বাসাবাড়ির বিভিন্ন স্থানে জমাট বাঁধা পানিসহ বিভিন্ন জলাশয় এখন হয়ে উঠেছে এডিস মশার বংশ বিস্তারের কেন্দ্রবিন্দু।
স্থানীয় ভুক্তভোগীরা জানান, মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে বিগত সময়ে লোক-দেখানো মশা নিধন কার্যক্রম চলত মাঝে-মধ্যেই। তবে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুতির পর দুর্বৃত্তের দেয়া আগুনে মুন্সীগঞ্জ পৌরসভা সম্পূর্ণ পুড়ে যাওয়ায় বন্ধ রয়েছে সব ধরনের নাগরিক সেবামূলক কার্যক্রম। এতে স্থবির হয়ে পড়েছে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণের কার্যক্রমও।
অন্যদিকে, উলটো চিত্র সদর উপজেলার মিরকাদিম পৌরসভার। পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডে মশাবাহিত রোগে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ঘরে ঘরে বৃদ্ধি পেলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কোনো উদ্বেগ নেই কর্তৃপক্ষের। বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, দিনের বেলাও বাসাবাড়িতে টানিয়ে রেখেছে মশারি। মিরকাদিম পৌরসভার কোথাও দেখা যায়নি এডিস মশা নিয়ন্ত্রণের কোনো কার্যক্রম।
এছাড়া মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার উত্তর ইসলামপুর ও দক্ষিণ ইসলামপুরে ঘুরে দেখা গেছে, এ সমস্ত এলাকার অনেক বাড়িতে সার্বক্ষণিক মশার কয়েল জ্বালিয়ে ও মশারি টানিয়ে রাখা হয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের প্রতি রাখা হচ্ছে বাড়তি নজরদারি। অন্যদিকে জেলা সদর হাসপাতালে ঘুরে দেখা গেছে জ্বরসহ মশাবাহিত রোগে সেখানে চিকিৎসা নিচ্ছে শিশু থেকে বৃদ্ধসহ নানা বয়সের মানুষ। সকাল হলে হাসপাতালে টিকিট কেটে চিকিৎসা নিতে দীর্ঘ লাইন তৈরি হয় সাধারণ মানুষের, যাদের মধ্যে অধিকাংশই জ্বরে আক্রান্ত।

এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসার দায়িত্বে থাকা মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. সাইদুর রহমান হিমেল বলেন, নিয়ন্ত্রণহীনভাবে জেলাজুড়ে বেড়ে চলেছে মশার উপদ্রব। বাসাবাড়িসহ একাধিক স্থানে ও জমাট বাঁধা পানি নিষ্কাশনে পৌর কর্তৃপক্ষের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় ঠেকানো যাচ্ছে না মশার বংশবিস্তার। তাই গড়ে প্রতিদিন মশাবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে এ জেলার অন্তত ১০ জন মানুষ। তাই মশক নিয়ন্ত্রণে জেলা সদরের স্থানীয় প্রশাসনসহ বিভিন্ন উপজেলার সংশ্লিষ্টদের দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া জরুরি।

জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আবু হেনা মোহাম্মদ জামাল বলেন, জেলাজুড়ে দ্রুত বাড়ছে মশাবাহিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে শিশুসহ নানা বয়সী অন্তত অর্ধশতাধিক মানুষ আসছে মশাবাহিত বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা নিতে। এদের মধ্যে অধিকাংশ দীর্ঘদিন ধরে জ্বরে আক্রান্ত।
নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসক ফাতেমা তুল জান্নাত দাবি করেন, মশা নিয়ন্ত্রণে যথেষ্ট তৎপর তিনি। আবর্জনা থেকে যেন কোনোভাবে মশার বংশবিস্তার না হয় এ ব্যাপারেও নজরদারি রাখা হচ্ছে। এছাড়া তিনি জানান, গত বৃহস্পতিবার থেকে দুটি ফগার মেশিনের মাধ্যমে মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে মশক নিধন স্প্রে করা হচ্ছে। এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে শিগগিরই সচেতনতামূলক কার্যক্রমসহ মাইকিং করা হবে। পাশাপাশি আক্রান্তের সংখ্যা আরো বৃদ্ধি পেলে পরিস্থিতি অনুযায়ী দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সদরসহ বিভিন্ন উপজেলায় মশাবাহিত রোগে নানা বয়সের মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে বলে জানান জেলা সিভিল সার্জন ডা. মনজুরুল আলম। তিনি বলেন, মশার বংশবিস্তার ঠেকাতে সংশ্লিষ্টদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও ভূমিকা রাখা উচিত। তা না হলে মশাবাহিত রোগের প্রকোপ আরো বাড়বে।

মুন্সীগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হামলা, আহত ৫

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২৭ অপরাহ্ণ
মুন্সীগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হামলা, আহত ৫

মুন্সীগঞ্জে সদর উপজেলার মিরকাদিমে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় পাঁচজন আহত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

গেলো শনিবার সন্ধ্যায় মিরকাদিম পৌরসভার রামগোপালপুর এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় আহত মো. দুলাল মিয়ার ছেলে মো. রবিন বাদী হয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জায়গা-সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে মো. কামাল (৫৫), বাদল মিয়া (৪৫), শাহাদাত (৪৭), সুলতান (৬০), শামীম (৩৫)সহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন বিভিন্ন সময় বাদী ও তার পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে আসছিলেন। এ নিয়ে একাধিকবার বিচার-সালিশ হলেও অভিযুক্তরা তা মানতে রাজি হননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ৫ সেপ্টেম্বর শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে রামগোপালপুর এলাকায় রবিনের চাচাতো ভাইয়ের ছেলে সোহান (১০) ও তার ভাবির খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে অভিযুক্তরা তার ভাবিকে কিল-ঘুষি মারেন বলে অভিযোগ করা হয়। তাকে রক্ষা করতে চাচাতো ভাই সজীব (৩৫) এগিয়ে গেলে তার ওপরও হামলা চালানো হয়।

পরে রাত ৯টার দিকে রবিনের বাবা মো. দুলাল (৫৫) কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পথে দক্ষিণ রামগোপালপুর এলাকায় পৌঁছালে তার ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় তার চিৎকার শুনে চাচাতো ভাই সজীব (৩৫), রজীব (২৭) ও চাচাতো ভাইয়ের শ্যালক আসলাম (১৭) এগিয়ে এলে তাদের ওপরও হামলা চালানো হয়। এতে পাঁচজন আহত হন। পরে পরিবারের সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এদিকে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত মো. কামাল হোসেন। তিনি বলেন, ‘জায়গা-সম্পত্তি নিয়ে তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো শত্রুতা ছিল না। আমরা তাদের ওপর কোনো হামলা করিনি। ঘটনার দিন তারা একজন খানসামার সঙ্গে অনেক লোকজন নিয়ে সেখানে আসে। তখন অনেক মানুষের মধ্যে লাঠির আঘাতে তারাই আহত হয়েছে। আমরাও আহত হয়েছি।’

এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. তছলিম উদ্দিন বলেন, জায়গা-সম্পত্তির বিরোধের বিষয়টি সাধারণত আমাদের দেখার বিষয় নয়। তবে এ ঘটনায় কোনো ফৌজদারি অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকলে বিষয়টি আমরা দেখব।

পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর ৫৪৮ সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত ১৪৭

বিক্রমপুর পোস্ট রিপোর্ট
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২১ পূর্বাহ্ণ
পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর ৫৪৮ সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত ১৪৭

২০২২ সালের ২৫ জুন পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার ২৭ আগষ্ট পর্যন্ত ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে ৫৪৮টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় ৮৭৪ জন আহত এবং ১৪৭ জন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস।

মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সেের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানান, পদ্মা সেতু উদ্বোধনের ২০২২ সালের ২৫ জুন থেকে ২৭ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের মাওয়া টোল প্লাজা থেকে ধলেশ্বরী টোল প্লাজা পর্যন্ত মুন্সীগঞ্জ সীমানায় মোট ৫৪৮টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। এসব দুর্ঘটনায় ৮৭৪ জন আহত এবং ১৪৭ জন নিহত হয়েছেন।

তিনি জানান, ফায়ার সার্ভিসের ফায়ার ফাইটাররা অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে পেশাদারিত্বের সাথে  দুর্ঘটনা কবলিত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। এছাড়া নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সেের ভাষ্য, ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যাও বাড়ছে। এ অবস্থায় দুর্ঘটনা প্রতিরোধে চালক ও সাধারণ জনগণের মধ্যে সচেতন হতে হবে ।

দুর্ঘটনা এড়াতে চালকদের ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং থেকে বিরত থাকতে হবে। সড়কের নির্দেশনা ও ট্রাফিক সিগন্যাল যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে এবং নির্ধারিত গতিসীমার মধ্যে গাড়ি চালাতে হবে। পাশাপাশি ট্রাফিক আইন মেনে চলা, নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা এবং অসতর্ক ও বেপরোয়া গাড়ি চালানো থেকে বিরত থাকা প্রয়োজন। তাহলেই  ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে সড়ক দুর্ঘটনা অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।

 

মুন্সীগঞ্জে নুরুল হক নুর

অন্তরবর্তী সরকারের সময় থেকে দেশে রেমিট্যান্স আয় বেড়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৩৩ অপরাহ্ণ
অন্তরবর্তী সরকারের সময় থেকে দেশে রেমিট্যান্স আয় বেড়েছে

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেছেন, অন্তরবর্তী সরকারের সময় থেকে দেশে রেমিট্যান্সের প্রবাহ বেড়েছে। রেমিটেন্সের রিজার্ভ বৃদ্ধির জন্য বৈধ পথে পাঠাতে হবে রেমিটেন্স। যার মাধ্যমে বিদ্যুৎ -জ্বালানি সহ বিভিন্ন সংকট নিরসন করা সম্ভব হবে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের মিলনায়তনে জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদ আয়োজিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশা, প্রাপ্তি ও ভবিষ্যত’-শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আলোচনা সভায় উদ্বোধন করেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান রতন। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি নাজমুল হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন ও জেলা পরিষদের প্রশাসক একেএম ইরাদত মানু। জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি মুহাম্মদ রাজুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভা সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম সৌরভ ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রাকিব চৌধুরী।

প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর হুন্ডিতে টাকা না পাঠানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, অনেকে হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশ থেকে টাকা পাঠায়, যে টাকাটা দেশে আসার কথা বৈদেশিক মুদ্রা বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা হওয়ার কথা সেটা কিন্তু হচ্ছে না। দেশ দেশে কেনাকাটার জন্য যে বৈদেশিক মুদ্রার প্রয়োজন হয় সেখানে ঘাটতি থেকে যাচ্ছে কাজেই বৈধপথে যদি রেমিটেন্স পাঠাই বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ভালো থাকবে , তাহলে বিদ্যুৎ জ্বালা নিয়ে থেকে শুরু করে বিভিন্ন সংকট সহজে নিদর্শন করা যাবে ।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, কৃষিকার্ড, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সরকার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে সহায়তা করছে। সরকার ভালো ভালো পদক্ষের দিকে আগাচ্ছে , কিন্তু ছয় মাসে অনেক কিছু করা সম্ভব নয়, সরকারকে সময় দিতে হবে ।

অনুষ্ঠানে জুলাই শহীদ পরিবারে সম্মাননা স্মারক প্রদান ও গণঅভ্যুত্থানের বিষয়ে আলোচনা হয়।

2