গ্রিস জুজুৎসু ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ
মুন্সীগঞ্জের কৃতি সন্তান মুক্তা’র রৌপ্য ও তাম্র পদক অর্জন
মুন্সীগঞ্জের কৃতি সন্তান মুক্তা আহমেদ গ্রিসের জুজুৎসু ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপের রৌপ্য ও তাম্র পদক অর্জন করেছেন। গ্রিসের দ্বীপ ইরাক্লিওনে চ্যাম্পিয়নশিপে ৮ সদস্যের বাংলাদেশ দল অংশগ্রহণ করে। এরমধ্যে বাংলাদেশ একটি স্বর্ণ, দুইটি রৌপ্য ও দুটি তাম্রপদক অর্জন করেছে।
এদের মধ্যে মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার হাসারা এলাকার কৃতি সন্তান মুক্তা আহমেদ এ অর্জন করেন৷ তিনি বোরহান উদ্দিনের মেয়ে। এতে করে মুন্সীগঞ্জের সুনাম অর্জন করেছে।
বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এবং বৃহত্তর ঢাকা পরিষদ ইন গ্ৰিস ও মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুর পরিষদ ইন গ্রিস এ অর্জন করার তাকে ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেছেন এবং তারা বলেছেন এ অর্জন মুন্সীগঞ্জের নয় এ অর্জন বাংলাদেশের।
বাংলাদেশ সহ সাতটি মহাদেশের ৭৬টি দেশের ৩৫০০ প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশ দলের সিনিয়র খেলোয়াড় জামিলা খাতুন ঝিনুক +৭০ কেজি ওজন শ্রেণীতে ফাইটিং সিস্টেমে একটি স্বর্ণপদক, নাহিদা আহমেদ ইতু +৭০কেজি ওজন শ্রেণীতে ফাইটিং সিস্টেমে একটি রৌপ্য পদক, মুক্তা আহাম্মেদ ৬৫ কেজি ওজন শ্রেণীতে ফাইটিং সিস্টেমে একটি রৌপ্য পদক ও দো সো প্রতিযোগিতায় একটি তাম্র পদক এবং আরিফুর রহমান সুমন দো শো প্রতিযোগিতায় একটি তাম্র পদক অর্জন করেন।
বাংলাদেশ জুজুৎসু এসোসিয়েশনের সেক্রেটারি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম আন্তরিক ধন্যবাদ জানান ক্রীড়া উপদেষ্টা এবং ক্রীড়া পরিষদের সচিব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে সচিবকে।
তিনি বলেন, বিশ্বের এত বড় মঞ্চে দেশের এই তরুণ অ্যাথলেটরা লাল সবুজের পতাকার পক্ষে যে বীরত্বের পরিচয় দিয়েছে, তা বিশ্বে দরবারে বাংলাদেশের জন্য এক অতুলনীয় অর্জন।
সামুরাই এর শিল্প জু-জুতসু মার্শাল আর্টের একটি পরিবার যা প্রাচীন জাপানে এর জন্ম ।
কিংবদন্তি খেলোয়াড় শিরোবেই আকিয়ামা লক্ষ্য করেছিলেন যে কীভাবে তুষারঝড়ের সময় বেশিরভাগ গাছের ডাল ভেঙে যায়, কিন্তু কিছু বাঁকিয়ে তুষার থেকে নিজেদের মুক্ত করে। তার পরিপ্রেক্ষিতেই এই খেলার জন্ম। জাপানে জু-জুৎসু নামে পরিচিত “বা মৃদু শিল্প” বা “নমনীয়তার শিল্প” ।
জু-জুৎসু এটি শক্তি দিয়ে নয়, লক্ষ্য হল আক্রমণগুলিকে শোষণ করা এবং প্রতিপক্ষের শক্তিকে নিজের সুবিধার দিয়ে পরস্ত করা। ঠিক ইলাস্টিক গাছের ডালের মতো, এবং নরমকে শক্তকে পরাজিত করা।
১৫৩২ সালে প্রথম জু-জুতসুর তাকোনোচি হিসামোরি স্কুলে অনুষ্ঠিত হয়। মার্শাল আর্ট পরবর্তীতে জাপানের সামুরাইয়ের পাশাপাশি এই খেলা বিকশিত হয় এবং অস্ত্র ব্যবহার না করেই সশস্ত্র বিরোধীদের পরাজিত করার উপায় হিসেবে দেখা হয়।জু-জুতসু ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন (জেজেআইএফ) ১৯৭৭ সালে তৈরি করা হয়, প্রথমবারের মতো খেলাধুলার জন্য একটি বিশ্ব পরিচালনা সংস্থা তৈরি করেছিল।
১৯৯৪ সালে সংস্থাটি গ্লোবাল অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্টারন্যাশনাল স্পোর্টস ফেডারেশন (GAISF) এবং ইন্টারন্যাশনাল ওয়ার্ল্ড গেমস অ্যাসোসিয়েশন (IWGA) রূপান্তিত হয়।
