খুঁজুন
, ,
আজঃ ,
শিরোনাম:
মুন্সীগঞ্জে এনসিপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ মুন্সীগঞ্জে আদালতের রায় উপেক্ষা করে স্থাপনা ভাংচুরের অভিযোগ শরীয়তপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের কোষাধ্যক্ষ হলেন রোমান আকন্দ মুন্সীগঞ্জে দুই পক্ষের হামলা-সংঘর্ষ, আহত ১২ মুন্সীগঞ্জে আরিফ হত্যার রহস্য উন্মোচন করল পিবিআই নৌযান চলাচল স্বাভাবিক করতে জাহাজ শ্রমিক ফেডারেশনের নির্দেশনা বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অগ্রগতি  মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের অভিষেক অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী  বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক হলেন ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল মুন্সীগঞ্জে পরিচ্ছন্নকর্মীদের বহুতল ভবন হস্তান্তর জুনে আবারও সিন্ডিকেটের কবলে পল্লী দারিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশন ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন যুবদল নেতা মনজিল মুন্সীগঞ্জে সামাজিক সংগঠন সহসত্তা’র আত্মপ্রকাশ গজারিয়ায় সম্ভাব্য মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীকে হুমকি,থানায় অভিযোগ মুন্সীগঞ্জে ভাসমান অবস্থায় ১ ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার মুন্সীগঞ্জে লুট হওয়ার পর ফেরত ২১৯ আগ্নেয়াস্ত্র ও ৭৮২৫ রাউন্ড গোলাবারুদ হস্তান্তর টঙ্গিবাড়ীতে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে স্ত্রীকে হত্যা করল স্বামী টঙ্গিবাড়ীতে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে স্ত্রীকে হত্যা করল স্বামী মালয়েশিয়ায় আগুনে পুড়ে নিহত ৩ প্রবাসীর জানাজা ও দাফন সম্পন্ন  পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মামলা জট বাংলাদেশে, বর্তমানে পেন্ডিং ৪৩ লাখ মামলা ১৬ বছরের পা রাখলো ‘কালের ছবি’ টঙ্গিবাড়ীতে ন্যায্যমূল্যে সবজি বিক্রি করছে শিক্ষার্থীরা আবারও সক্রিয় মেঘনা-গোমতী নদীর আতঙ্ক জলদস্যু জিতু ও তার বাহিনী মুন্সীগঞ্জে রোড মার্চ, পথসভা ও গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠান ঘিরে উজ্জীবিত জেলা বিএনপি চরকেওয়ার মাহমুদিয়া মাদরাসা ও ইসলামী কিন্ডারগার্টেনে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত দুই মাসের মধ্যে মুন্সীগঞ্জে মেডিক্যাল কলেজের কাজ উদ্বোধন করা হবে-স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা Descubre las joyas ocultas de los sitios gemelos de Golden Lady Casino মুন্সীগঞ্জে ছাত্র-জনতার জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান  দিবস উদযাপনে প্রতীকী ম্যারাথন Pinnacle Eastpak der unvergleichliche Stil für echte Abenteurer আপোষহীন নক্ষত্রের অন্তিম বিদায়

চারণ সাংবাদিক শেখ আলী আকবর মুন্সীগঞ্জের গর্ব

আতিকুর রহমান টিপু
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৫, ১:১৪ অপরাহ্ণ
চারণ সাংবাদিক শেখ আলী আকবর মুন্সীগঞ্জের গর্ব

শেখ আলী আকবর একজন সংগ্রামী মানুষ।।কজন প্রকৃত জীবন যোদ্ধা। দারিদ্র আর কষ্টের ভেতরও যিনি সাধনাকে ছেড়ে কক্ষচ্যুত হননি। জীবনের প্রায় ৬৫টি বছর যার লেখা লেখির ভেতর কেটেছে। কখনো পাখির ডাক আর কখনো ফিঙের ডানা ঝাপটানী তাকে বিমুগ্ধ করেছে। প্রকৃতির সাথে যার আত্মীয়তার বন্ধন। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তার ক্ষুরধার কলম চলেছে সমাজ ও প্রকৃতির আমুল পরিবর্তনের তাগিদে। কখনো সারাদিন জোটেনি খাবার। থেকেছেন ভাড়া বাড়িতে কিন্তু লেখা লেখি কখনো থামেনি। বিদ্যুৎ চলে গেলে মোমের আলোতে চলেছে তার লেখনী। যেনো ভিন ধাচের এক কলম যোদ্ধা। কি লিখেছেন তিনি সারা জীবন? গল্প, কবিতা, ছড়া, পুঁথি আর গীতিকবিতা। সাথে সাংবাদিকতাতো আছেই।

সাংবাদিকতা জীবনে প্রায় ১০/১২টি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন। সেই দৈনিক আযাদ, দৈনিক পূর্বদেশ, সমাচার, দৈনিক সবুজ দেশ, থেকে আরম্ভ করে প্রচুর পত্রিকায় কাজ করেছেন শেখ আলী আকবর সাহেব। নিজের মুখেই সবগুলো পত্রিকার কথা বলেছেন তিনি। সেই ফজরের নামাজ শেষ করে আহার না করেই ছুটতেন বাসা থেকে। সাথে একটি ব্যাগ ও পুরনো একটি ক্যামেরা ছিল তার সঙ্গী। কলম রাখতে কখনোই ভুল করতেন না। চলার পথে মনের ভেতর যে আবেগ আসতো তা বন্দী করে নিতেন। প্রকৃতিতে বিমুগ্ধ হয়ে লিখতেন ছড়া। কখনো কবিতা আবার কখনো ক্যামেরায় ক্লিক ক্লিক শব্দে বন্দী করতেন স্থিরচিত্র। তার বাসায় যখন যেতাম দেখতাম বিশাল পান্ডুলিপির । কোনটি কবিতার, কোনটি ছড়ার, কোনটি গীতিকবিতার আবার কোনটি পুঁথির। জিজ্ঞেস করতাম কোনো পান্ডুলিপি ছাপাচ্ছেন না? উত্তরে বলতেন টাকা পয়সা নেই। তাই ছাপানো যাচ্ছেনা। কখনো বলেছেন প্রকাশকরা পয়সা ছাড়া ছাপাবে? মন খারাপ হবার কথা। কিন্তু না, সতেজ ছিলো তার মন, প্রবল ছিল তা মানসিকতা। আশা একদিন তার লেখা অনেকগুলো বই হবে। সেই আশায়ই বুক বাধতেন। তার জীবনের প্রায় ৮০টি বছর কাটিয়েছেন বেশ কটি ভাগে।

কৈশোর কালের কিছু সময় নিজ উপজেলা সিরাজদিখানের কাঁঠালতলী গ্রামে। কিছু সময় চট্টগ্রামে, কিছু সময় রংপুর। বাকী সময় মুন্সীগঞ্জ শহর ও আশ পাশ এলাকায়। নিজে চয়নিকা নামে একটি সাময়িকী অনেকদিন সম্পাদনা করেছেন। ইমদাদুল হক পলাশ সম্পাদিত মাসিক বিক্রমপুরের ছিলেন নিয়মিত কলম যোদ্ধা। সাপ্তাহিক খোলা কাগজের নির্র্বাহী সম্পাদকের দায়িত্বে বেশ সময় পার করেছেন। নানা সংগঠনের সাথেও ছিলেন সম্পৃৃক্ত। শিশু-কিশোর সংগঠন চাঁদের হাটের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন অনেক সময় ধরে। খসনুর আলমগীরের অনুপ্রাসের মুন্সীগঞ্জ জেলার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন আমৃত্যু পর্যন্ত। শেষের দিকে দৈনিক আজকের বসুন্ধরায় জেলার সম্মানজনক দায়িত্বে ছিলেন।

তিনি মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের ৩ বার সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তার সাথে আমার পরিচয় সম্ভবত ১৯৯৬ সালের প্রথম দিকে। আমি তখন মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্য। তিনিও সদস্য হয়েছেন। মুখভরা সাদা দাড়ি এবং অনেকটা বয়োঃবৃদ্ধ। বেশ শান্তশিষ্ট ও পরিশ্রমী এবং বিচক্ষণ মনে হলো তাকে। তার সাথে আস্তে আস্তে আমার ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এ সম্পক নষ্ট হয়নি। আমাকে তিনি শ্বশুর বলে ডাকতেন। এরও একটি কাহিনী রয়েছে।

তিনি যখন ৫ম শ্রেণীতে পড়েন তখন প্রায় সময় পড়া-লেখা বন্ধ করে প্রকৃতির সাথে মিশে যেতেন। এসব তার পিতা শেখ ওয়াজউদ্দিন ভালো চোখে দেখতেন না। পড়াশুনায় কম নম্বর পেয়ে কাউকে না বলে ভয়ে চলে যান গ্রাম ছেড়ে চট্টগ্রাম। পালিয়ে যাওয়ার পর তিনি কিছু সময় বেশ কষ্ট করেন। পরে হকারী করেন। কখনো দোকানে কাজ করেন। এর ফাঁকে পড়াশুনা চালিয়ে যান এবং এক সময় পড়াশুনা শেষ করেন। এরই মাঝে চলতে থাকে তার লেখা-লেখি। যাকে একবার লেখা-লেখির নেশায় পেয়ে যায় তাকে ফেরায় কে? তিনি তো বসন্ত ফেরারী। এক সময় রংপুরে বিয়ে করেন। দুটি সন্তানেরও পিতা হন। কিš‘ তার লেখা-লেখির নেশার কারণে কোন কাজেই মন বসেনি। ফলে কমে যায় তার আয় উন্নতি। তীব্র অভাব দেখা দেয় সংসারে। ফলে স্ত্রী তাকে ও তার দুটি সন্তান রেখে সংসার ছাড়েন। তিনি উপায় না পেয়ে চলে আসেন নিজ গ্রামে। এসেই আবার লেখা-লেখিতে সম্পৃক্ত হন।

এরপর চলে আসেন-মুন্সীগঞ্জ শহরে। শহর ও তার আশে-পাশে এলাকার তার জীবনের বাকী সময়গুলো কাটান। একমাত্র লেখা-লেখি ও সাংবাদিকতাকেই নেশা ও পেশা হিসেবে বেছে নেন। প্রথম বিবাহ বিচ্ছেদের প্রায় দেড় দশক পরে তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেন। সেই বিয়ের উকিল হিসেবে আমাকে রাখেন বিধায় আমি হয়ে যাই উকিল শ্বশুর। মানুষটিকে যতই দেখেছি ততই মুগ্ধ হয়েছি। যখন তার বয়স প্রায় ৭৭ তখনও লিখছেন দিনরাত। পত্রিকায় সংবাদ পাঠাচ্ছেন। চয়নিকা সম্পাদনা করছেন। কিন্তু বয়স তাকে যেনো হার মানাতে পারেনি। যখন তিনি হাটতেন তখন ধীরে ধীরে পা ফেলতেন। অর্থ সংকটের কারণে রিক্সা ও অটোতে চলতেন কম। চলাফেরায় ছিলো তার সতর্ক দৃষ্টি। মানুষ তাকে লেখক যেমন ভাবতো আবার চারণ সাংবাদিক হিসেবেও মানুষের কাছে পরিচিতি লাভ করেন। তার জীবনটা কেটেছে অভাব আর অনটনের সাথে যুদ্ধ করে? এই অকুতোভয় কলম যোদ্ধার সারাজীবনের লেখা-লেখি নাকি তার অর্জন। স্থানীয় পত্রিকা, মাসিক, সাময়িকীসহ নানা জায়গায় তার অসংখ্য লেখা ছাপানো হয়েছে।

তিনি একজন সৎ ও সাহসী কলম যোদ্ধা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন। তার মৃত্যুটা ও ছিলো আশ্বর্যজনক। ২৪শে মার্চ ২০২১ সাল। তিনি তার মুন্সীগঞ্জ শহরের ইসলামপুরের ভাড়া বাসা থেকে বিকেল বেলা বের হন। বের হয়ে তিনি সরকারী হরগঙ্গা কলেজের সামনে কাজী বিপ্লবের দোকানের কাছে আসার পর অসুস্থতা বোধ করেন। কয়েকদিন আগ থেকেই তার ঠান্ডাজনিত সমস্যা ছিলো। সংবাদ পেয়ে তাকে সাংবাদিক লিটনসহ বেশ কয়েকজন মুন্সীগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তখন সময় সন্ধ্যা। ঠিক মাগরিবের আযানের ধ্বনি ভেসে আসছিলো। ঠিক তখন পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই কলম যোদ্ধা শেখ আলী আকবর সাহেব।

মৃত্যুর ১০/১৫ দিন পর আমি তার সারা জীবনের অর্জন পান্ডুলিপিগুলো সংগ্রহের জন্য গিয়েছিলাম তার ভাড়া বাসায়। তার স্ত্রী জানালেন ২দিন আগে সব ভাঙারীর কাছে কেজি দরে বেচে দিয়েছেন। মাথায় হাত রাখলাম। অস্বস্তি তাড়া করলো বুঝলামনা কি হলো। তার পরেও নানা পত্রিকায় ম্যাগাজিনে যা ছাপা হয়েছে তা কম নয়। যদি সংগ্রহ করে ছাপা যায় বা কোন হৃদয়বান ব্যক্তি এগিয়ে আসেন তাহলে আলোর মুখ দেখতে পেতো তার নিরলস সাধনা। সিরাজদিখানের কাঁঠালতলী গ্রামের একজন শেখ আলী আকবর কিছুটা হলেও বেঁচে থাকতেন আমাদের মাঝে।

মুন্সীগঞ্জে এনসিপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৭:৩৭ অপরাহ্ণ
মুন্সীগঞ্জে এনসিপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রায় দলটির নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমসহ নেতাকর্মীদের উপর হামলার প্রতিবাদে মুন্সীগঞ্জে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৯ জুলাই) বিকাল ৫টার দিকে শহরের মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের প্রধান ফটকের সামনে এ সমাবেশের আয়োজন করে জাতীয় নাগরিক পার্টি মুন্সীগঞ্জ। সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল বের তারা।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, হবিগঞ্জে এনসিপির শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলার ঘটনা নিন্দনীয় ও গণতান্ত্রিক অধিকারের পরিপন্থী। তারা হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। পাশাপাশি ভবিষ্যতে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে হামলা ও সহিংসতা বন্ধে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টি মুন্সীগঞ্জের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী আব্দুল আলীম, জেলা সদস্য সচিব মারুফ হাসান মন্টি, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ফারজানা আক্তার, এম এ কাইয়ুম, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব আনিস-উর-রহমান, জেলা যুবশক্তির আহ্বায়ক আজিম সরদার বিপ্লব এবং ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক শিশির হাসান প্রমুখ।

মুন্সীগঞ্জে আদালতের রায় উপেক্ষা করে স্থাপনা ভাংচুরের অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১:৫৮ অপরাহ্ণ
মুন্সীগঞ্জে আদালতের রায় উপেক্ষা করে স্থাপনা ভাংচুরের অভিযোগ

মুন্সীগঞ্জ সদরের কেওয়ার এলাকায় জমি-সংক্রান্ত বিরোধে আদালতের রায় উপেক্ষা করে স্থাপনা ভাংচুর ও সন্ত্রাসী তৎপরতার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষ হারুন বেপারী গংদের বিরুদ্ধে। গত মঙ্গলবার সকালে মহাকালি দক্ষিণ কেওয়ার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভোক্তভোগী আজিম মন্ডল পক্ষে মুন্সীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

স্থানীয় ও মামলা সূত্রে জানাযায়, দক্ষিণ কেওয়ার এলাকার বড় কেওয়ার মৌজার আরএস খতিয়ান নং-৬৫২ ও আরএস দাগ নং-২৪১২-এর সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন আজিম মন্ডল গংদের সাথে ধরে প্রতিবেশী হারুন বেপারী- মিতা বেগমসহ আরও কয়েকজনের সঙ্গে বিরোধ চলে আসছে। এ বিষয়ে আদালতে মামলা হলে আদালত মামলার ২নং বিবাধী হারুন বেপারী ও ৩নং বিবাদি মাসুদ বেপারীকে ওক্ত জমিতে প্রবেশ করা, গাছ কর্তন, কোন কাজে বাঁধা দেওয়া হতে বিরত থাকার জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

এদিকে আজিম মন্ডলের অভিযোগ, আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ওই জমি একটি টিনের বেড়া ও একটি পাকের ঘর ভাংচুর করে। মাসুদ বেপারীর স্ত্রী মিতা বেগম লোকজন ভাংচুর করে। এছাড়াও সন্ত্রাসী দিয়ে তাদের হুমকি দেয়। ঘটনায় পরিবার উৎকন্ঠার মধ্যে রয়েছে।

আজিম মন্ডল বলেন, আমার বিভিন্ন স্থাপনা ভাংচুর করা হয়েছে। বাড়িতে কিছু সন্ত্রাসী গিয়েছে। বিভিন্ন হুমকি ধামকি দিয়েছে। আমি এর বিচার চাই।

এবিষয়ে জানতে হারুন বেপারীর বাড়িতে গেলে তাকে ও তার স্ত্রী মিতা বেগমকে পাওয়া যায়নি। উপস্থিত তাদের মেয়ে এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হয়নি। পরে মুঠোফোনে মিতা বেগমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমরা স্থাপনা ভাংচুর করিনি। উচ্চ আদালক থেকে আমরা রায় পেয়েছিলাম। ওনারা মামলা নিন্ম আদালতে এনেছে। এখন আদালত কি রায় দিয়েছে দেখিনি।

এবিষয়ে অভিযোগ অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে সদর থানা পুলিশ।

শরীয়তপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের কোষাধ্যক্ষ হলেন রোমান আকন্দ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ১১:০২ অপরাহ্ণ
শরীয়তপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের কোষাধ্যক্ষ হলেন রোমান আকন্দ

শরীয়তপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন (এসজেইউ)-এর কোষাধ্যক্ষ হিসেবে সর্বসম্মতিক্রমে মনোনীত হয়েছেন দৈনিক আমাদের সময় ও বাংলানিউজ ২৪ ডটকমের শরীয়তপুর জেলা প্রতিনিধি মো. রোমান আকন্দ।

রোববার (১২ জুলাই) বিকেলে শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও বার্ষিক ফল উৎসব শেষে অনুষ্ঠিত সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

এছাড়াও সভায় দৈনিক হুংকার-এর নির্বাহী সম্পাদক ও ভোরের ডাক-এর শরীয়তপুর জেলা প্রতিনিধি এম. হারুন অর রশিদ সভাপতি, সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও দিনকাল-এর শরীয়তপুর জেলা প্রতিনিধি মো. আল-আমিন শাওন পুনরায় সাধারণ সম্পাদক এবং চ্যানেল এস-এর শরীয়তপুর জেলা প্রতিনিধি মো. খোরশেদ আলম বাবুল সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন।

নবনির্বাচিত কোষাধ্যক্ষ রোমান আকন্দ বলেন, “শরীয়তপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন হবে পেশাদার, স্বাধীন ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকদের একটি ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম। সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা, অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দক্ষতা উন্নয়ন, নৈতিক সাংবাদিকতা চর্চা এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধিতে সংগঠনটি কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। সকলের সহযোগিতায় একটি শক্তিশালী, গণতান্ত্রিক ও কল্যাণমুখী সাংবাদিক সংগঠন গড়ে তুলতে আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করব।”

আলোচনা সভা ও বার্ষিক ফল উৎসব শেষে নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। এ সময় সংগঠনের সদস্যবৃন্দ এবং স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, মো. রোমান আকন্দ এর আগে শরীয়তপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও শরীয়তপুর প্রিন্ট মিডিয়া জার্নালিস্ট এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

2