খুঁজুন
, ,
আজঃ ,
শিরোনাম:
মুন্সীগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হামলা, আহত ৫ পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর ৫৪৮ সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত ১৪৭ অন্তরবর্তী সরকারের সময় থেকে দেশে রেমিট্যান্স আয় বেড়েছে স্বামীর মৃত্যুতে ১২ ঘন্টার জন্য মুক্তি পাচ্ছেন দীপু মনি দুই বছর পেরিয়েছে অধরা অস্ত্রধারীরা, উদ্ধার হয়নি  অস্ত্র মুন্সীগঞ্জে ৪ কেজি গাজাসহ গ্রেফতার এক সরকারি হরগঙ্গা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আবুল কাশেমের ইন্তেকাল মুন্সীগঞ্জে অবৈধ ড্রেজারে বালু ভরাটের দায়ে লাখ টাকা জরিমানা মুন্সীগঞ্জে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা নিরাপদ অভিবাসন ও দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ে মুন্সীগঞ্জে সেমিনার মুন্সীগঞ্জে সাংবাদিক বাবুর বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ডেপুটি অ্যাটর্নি-জেনারেল হলেন মুন্সীগঞ্জের সম্রাট মুন্সীগঞ্জ আদালতের সরকারী আইনজীবীদের তালিকা পরিবর্তন মুন্সীগঞ্জে এনসিপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ মুন্সীগঞ্জে আদালতের রায় উপেক্ষা করে স্থাপনা ভাংচুরের অভিযোগ শরীয়তপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের কোষাধ্যক্ষ হলেন রোমান আকন্দ মুন্সীগঞ্জে দুই পক্ষের হামলা-সংঘর্ষ, আহত ১২ মুন্সীগঞ্জে আরিফ হত্যার রহস্য উন্মোচন করল পিবিআই নৌযান চলাচল স্বাভাবিক করতে জাহাজ শ্রমিক ফেডারেশনের নির্দেশনা বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অগ্রগতি  মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের অভিষেক অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী  বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক হলেন ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল মুন্সীগঞ্জে পরিচ্ছন্নকর্মীদের বহুতল ভবন হস্তান্তর জুনে আবারও সিন্ডিকেটের কবলে পল্লী দারিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশন ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন যুবদল নেতা মনজিল মুন্সীগঞ্জে সামাজিক সংগঠন সহসত্তা’র আত্মপ্রকাশ গজারিয়ায় সম্ভাব্য মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীকে হুমকি,থানায় অভিযোগ মুন্সীগঞ্জে ভাসমান অবস্থায় ১ ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার মুন্সীগঞ্জে লুট হওয়ার পর ফেরত ২১৯ আগ্নেয়াস্ত্র ও ৭৮২৫ রাউন্ড গোলাবারুদ হস্তান্তর টঙ্গিবাড়ীতে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে স্ত্রীকে হত্যা করল স্বামী

নদীর তীরে ভাসমান হাটে বিক্রি হচ্ছে ইলিশ

নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও পদ্মা-মেঘনায় জেলেদের ইলিশ শিকারের উৎসব

সাব্বির আহমেদ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৪, ২:৫৫ অপরাহ্ণ
নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও পদ্মা-মেঘনায় জেলেদের ইলিশ শিকারের উৎসব

মা ইলিশ ও ইলিশের ডিম সংরক্ষণে ইলিশ শিকারে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও মুন্সীগঞ্জের পদ্মা মেঘনা নদীতে জাল ফেলে ইলিশ মাছ শিকার করছে জেলেরা। তারা সরকারি নিষেধাজ্ঞাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে দিনে ও রাতে মা ইলিশ শিকারের মহোৎসবে মেতেছে। মৎস্য বিভাগ ও প্রশাসনের অভিযান চলমান থাকলেও তারা নদী থেকে ফিরে গেলেই ইলিশ নিধনে মেতে উঠে অসাধু জেলেসহ একটি চক্র। ভোর রাতে, দুপুরের পর ও সন্ধ্যার পর থেকে -এই তিন সময়ে অসাধু জেলেরা মা- ইলিশ শিকারে মেতে উঠে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

অন্যদিকে নদীতে জেলেদের মাছ ধরার কর্মব্যস্ততা পাশাপাশি নদীর তীরে দুর দূরান্ত থেকে ইলিশ কিনতে আসা ক্রেতাদের আনাগোনা দেখা গেছে মেঘনা নদীর তীরে ইসমানির চর, এবং পদ্মা নদীর সদরের বাংলাবাজার, টঙ্গিবাড়ীর দিঘিরপাড় ও হাসাইল এলাকা, লৌহজং উপজেলার পদ্মা তীরবর্তী এলাকার কুমারভোগ, সিংহেরহাটি, বেজগাঁও, শামুরবাড়ি ওস্তাকারপাড়া এবং শ্রীনগরের বাঘরা ও ভাগ্যকুল এলাকায় সকাল থেকে রাত পর্যন্ত প্রতিদিন কয়েকদফা বসে ইলিশ বিক্রির ভাসমান হাট। জেলেরা ইলিশ ধরার পর এসব এলাকার নদীর তীরেই ভাসমান হাটে বিক্রি করছে। আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে প্রকাশ্যে হাট বসিয়ে বিক্রি হচ্ছে মা ইলিশ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সাধারণত সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত প্রশাসনের অভিযান বেশি থাকে। দুপুর ১২টার পর নদী থেকে অভিযানকারী দল ঘটনাস্থল ত্যাগ করার পর এ সুযোগে ইলিশ শিকারে নামে জেলেরা। অথচ মা ইলিশের প্রজনন নিরাপদ রাখতে ১৩ অক্টোবর থেকে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত ২২ দিন সারাদেশে ইলিশ আহরণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। নিষেধাজ্ঞার এই সময়ে ইলিশ আহরণ, পরিবহণ ও বাজার জাতকরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ হলেও তা মানছে না অসাধু জেলেরা। নদীতে ঘুরে জেলেদের মাছ শিকারের দৃশ্য দেখে বোঝার উপায় নেই, দেশে মা ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞার মৌসম চলছে। নিষিদ্ধ এই সময়টাকে জেলেরা ইলিশ উৎসব মনে করছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, মেঘনা নদীর গজারিয়া ঘাট সংলগ্ন মাঝ নদী, সদরের চরঝাপটা, কালিরচর, কাউয়াদি এবং বকচর এলাকা সংলগ্ন মেঘনা নদীতে জেলেরা ইলিশ শিকার করছে। এছাড়া পদ্মা সেতুর উজানে লৌহজংয়ের মাওয়ার যশলদিয়া, লৌহজং-টঙ্গীবাড়ি পয়েন্টে ও সিডারচর পয়েন্টের বিভিন্ন এলাকায় পদ্মা নদীতে শতাধিক নৌকা নিয়ে দিনরাত অবাধে মা ইলিশ নিধন চলছে। এছাড়া টঙ্গিবাড়ীর দিঘিরপাড় ও হাসাইল এলাকা সংলগ্ন পদ্মা নদীতেও ট্রলার দিয়ে ইলিশ নিধন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

নাম প্রকাশে এক ক্রেতা বলেন, গত শনিবার সদরের বাংলাবাজার ইউনিয়ন ঘেঁষা পদ্মা নদী তীর থেকে ইলিশ মাছ কিনে এনেছি। ওইখানে মেঘনা ও পদ্মা নদী থেকে ইলিশ ধরে জেলেরা বিক্রি করতে নিয়ে আসছেন। দাম মোটামুটি কম হওয়ায় অনেক ক্রেতা দুর দুরান্ত থেকে বাংলাবাজার গিয়ে মাছ কিনে নিচ্ছেন।

প্রতিদিন কোটি টাকার ইলিশ বেচাকেনা !
——————————————

জানা গেছে, লৌহজংয়ের হাটে প্রতিদিন চলে কোটি টাকার মা ইলিশ বেচাকেনা। জেলেরা অবাধে ইলিশ ধরছে। আর ওই সব ইলিশ বিক্রিও হচ্ছে এসব স্থানে। গাঁওদিয়া ইউনিয়নের শামুরবাড়ি গ্রামের ওস্তাকারপাড়ায় সকাল ৬টা থেকে ৯টা, দুপুর ১২টা থেকে ২টা ও বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এসব হাটে চলে মা ইলিশ বেচাকেনা। এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১৪শ থেকে ১৫শ টাকায়। দেড় কেজি ওজনের ইলিশের হালি বিক্রি হচ্ছে ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা। স্থানীয় প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে ও তাদের ম্যানেজ করে নদীতে ইলিশ নিধন করা হচ্ছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, লোকমান ওস্তাকার এবং রাজিব খানের নেতৃত্বে শামুরবাড়ি গ্রামে এসব ইলিশ প্রকাশ্যে বিক্রি করছে স্বপন ওস্তাকার, তপন ওস্তাকার, কাদির ওস্তাকার, সফি ওস্তাকার, দীপু ওস্তাকার, দীলু ওস্তাকার, রফিক ও মালেক। মারৈলের সেন্টু সরদার, আবুল ঢালী, শামসুদ্দিন ঢালী, কুদ্দুস সরদার এসব ইলিশ বিক্রি করছে। সিডার চরের জসিম মল্লিকের মাধ্যমে নৌপুলিশকে নৌকাপ্রতি ৩ হাজার টাকা প্রতিদিন দিয়ে নদীর মাছ শিকার করছে কলমা ইউনিয়নের মারৈল গ্রামের বানু চকিদার, সোনামিয়া ঢালী, দুলাল শেখ, দানেশ বেপারী, আজগর মাতবর, সোহাগ মাতবর, কাদির সরদার, জাকির মাদবর, জলিল সরদার, জব্বার সইয়াল, নোয়াব আালী খাঁ, লিটন সৈয়াল, শাকিল খাঁ, কামাল চোকদার ও তাদেরে সাঙ্গপাঙ্গ। সূত্র আরও জানায়, চাঁদার টাকা আদায় করে জসিম মল্লিকের কাছে নিয়ে দিচ্ছে শামুরবাড়ি গ্রামের ইদ্রিস চকিদার ও ডহুরি মরৈল এলাকার সোনা মিয়া ঢালী ও আমির সরদার। স্পিডবোটের ঘাটে জেলেদের নিজস্ব লোকও বসিয়ে রাখা হয়েছে। তারা অভিযানের তথ্য সরবরাহ করছে জেলেদের কাছে।

এদিকে পদ্মায় মা ইলিশ রক্ষা অভিযান নিয়ে এলাকাবাসীর বিস্তর অভিযোগ। তবে প্রশাসনের ভাষ্য, উপজেলা প্রশাসন নিয়মিত অভিযান চালিয়ে জাল জব্দ ও জেলেদের জরিমানা করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাকির হোসেন জানান, পদ্মা নদীতে উপজেলা প্রশাসন অভিযান চালিয়ে জাল জব্দ ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জেলেদের জরিমানা করা হচ্ছে। মা ইলিশ নিধনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

এ ব্যাপারে মন্সীগঞ্জ জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এ টি এম তৌফিক মাহমুদ জানান, এ বছর ইলিশ প্রজনন মৌসমে জেলা মৎস্য অধিদপ্তর থেকে মুন্সীগঞ্জ জেলায় ইলিশ শিকারে জড়িত ৯ হাজার জেলের মনে ৩ হাজার জেলেকে পরিবার প্রতি ২৫ কেজি করে চাল দেওয়া হয়েছে। তারা নিষেধাজ্ঞার সময় ইলিশ শিকার না করে এবং পরিবার চলতে পারে।

তিনি বলেন, তারপরও কতিপয় জেলে ইলিশ শিকার করছে বলে শুনেছি। তাই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকার করতে না পারে তা প্রতিরোধে মৎস্য কর্মকর্তা, প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে পুলিশ, কোস্টগার্ড,আনসার, নৌ-পুলিশ প্রতিদিনই অভিযান পরিচালনা অব্যাহত রেখেছে।

মুন্সীগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হামলা, আহত ৫

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২৭ অপরাহ্ণ
মুন্সীগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হামলা, আহত ৫

মুন্সীগঞ্জে সদর উপজেলার মিরকাদিমে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় পাঁচজন আহত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

গেলো শনিবার সন্ধ্যায় মিরকাদিম পৌরসভার রামগোপালপুর এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় আহত মো. দুলাল মিয়ার ছেলে মো. রবিন বাদী হয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জায়গা-সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে মো. কামাল (৫৫), বাদল মিয়া (৪৫), শাহাদাত (৪৭), সুলতান (৬০), শামীম (৩৫)সহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন বিভিন্ন সময় বাদী ও তার পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে আসছিলেন। এ নিয়ে একাধিকবার বিচার-সালিশ হলেও অভিযুক্তরা তা মানতে রাজি হননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ৫ সেপ্টেম্বর শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে রামগোপালপুর এলাকায় রবিনের চাচাতো ভাইয়ের ছেলে সোহান (১০) ও তার ভাবির খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে অভিযুক্তরা তার ভাবিকে কিল-ঘুষি মারেন বলে অভিযোগ করা হয়। তাকে রক্ষা করতে চাচাতো ভাই সজীব (৩৫) এগিয়ে গেলে তার ওপরও হামলা চালানো হয়।

পরে রাত ৯টার দিকে রবিনের বাবা মো. দুলাল (৫৫) কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পথে দক্ষিণ রামগোপালপুর এলাকায় পৌঁছালে তার ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় তার চিৎকার শুনে চাচাতো ভাই সজীব (৩৫), রজীব (২৭) ও চাচাতো ভাইয়ের শ্যালক আসলাম (১৭) এগিয়ে এলে তাদের ওপরও হামলা চালানো হয়। এতে পাঁচজন আহত হন। পরে পরিবারের সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এদিকে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত মো. কামাল হোসেন। তিনি বলেন, ‘জায়গা-সম্পত্তি নিয়ে তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো শত্রুতা ছিল না। আমরা তাদের ওপর কোনো হামলা করিনি। ঘটনার দিন তারা একজন খানসামার সঙ্গে অনেক লোকজন নিয়ে সেখানে আসে। তখন অনেক মানুষের মধ্যে লাঠির আঘাতে তারাই আহত হয়েছে। আমরাও আহত হয়েছি।’

এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. তছলিম উদ্দিন বলেন, জায়গা-সম্পত্তির বিরোধের বিষয়টি সাধারণত আমাদের দেখার বিষয় নয়। তবে এ ঘটনায় কোনো ফৌজদারি অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকলে বিষয়টি আমরা দেখব।

পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর ৫৪৮ সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত ১৪৭

বিক্রমপুর পোস্ট রিপোর্ট
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২১ পূর্বাহ্ণ
পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর ৫৪৮ সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত ১৪৭

২০২২ সালের ২৫ জুন পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার ২৭ আগষ্ট পর্যন্ত ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে ৫৪৮টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় ৮৭৪ জন আহত এবং ১৪৭ জন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস।

মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সেের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানান, পদ্মা সেতু উদ্বোধনের ২০২২ সালের ২৫ জুন থেকে ২৭ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের মাওয়া টোল প্লাজা থেকে ধলেশ্বরী টোল প্লাজা পর্যন্ত মুন্সীগঞ্জ সীমানায় মোট ৫৪৮টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। এসব দুর্ঘটনায় ৮৭৪ জন আহত এবং ১৪৭ জন নিহত হয়েছেন।

তিনি জানান, ফায়ার সার্ভিসের ফায়ার ফাইটাররা অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে পেশাদারিত্বের সাথে  দুর্ঘটনা কবলিত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। এছাড়া নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সেের ভাষ্য, ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যাও বাড়ছে। এ অবস্থায় দুর্ঘটনা প্রতিরোধে চালক ও সাধারণ জনগণের মধ্যে সচেতন হতে হবে ।

দুর্ঘটনা এড়াতে চালকদের ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং থেকে বিরত থাকতে হবে। সড়কের নির্দেশনা ও ট্রাফিক সিগন্যাল যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে এবং নির্ধারিত গতিসীমার মধ্যে গাড়ি চালাতে হবে। পাশাপাশি ট্রাফিক আইন মেনে চলা, নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা এবং অসতর্ক ও বেপরোয়া গাড়ি চালানো থেকে বিরত থাকা প্রয়োজন। তাহলেই  ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে সড়ক দুর্ঘটনা অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।

 

মুন্সীগঞ্জে নুরুল হক নুর

অন্তরবর্তী সরকারের সময় থেকে দেশে রেমিট্যান্স আয় বেড়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৩৩ অপরাহ্ণ
অন্তরবর্তী সরকারের সময় থেকে দেশে রেমিট্যান্স আয় বেড়েছে

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেছেন, অন্তরবর্তী সরকারের সময় থেকে দেশে রেমিট্যান্সের প্রবাহ বেড়েছে। রেমিটেন্সের রিজার্ভ বৃদ্ধির জন্য বৈধ পথে পাঠাতে হবে রেমিটেন্স। যার মাধ্যমে বিদ্যুৎ -জ্বালানি সহ বিভিন্ন সংকট নিরসন করা সম্ভব হবে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের মিলনায়তনে জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদ আয়োজিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশা, প্রাপ্তি ও ভবিষ্যত’-শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আলোচনা সভায় উদ্বোধন করেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান রতন। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি নাজমুল হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন ও জেলা পরিষদের প্রশাসক একেএম ইরাদত মানু। জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি মুহাম্মদ রাজুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভা সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম সৌরভ ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রাকিব চৌধুরী।

প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর হুন্ডিতে টাকা না পাঠানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, অনেকে হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশ থেকে টাকা পাঠায়, যে টাকাটা দেশে আসার কথা বৈদেশিক মুদ্রা বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা হওয়ার কথা সেটা কিন্তু হচ্ছে না। দেশ দেশে কেনাকাটার জন্য যে বৈদেশিক মুদ্রার প্রয়োজন হয় সেখানে ঘাটতি থেকে যাচ্ছে কাজেই বৈধপথে যদি রেমিটেন্স পাঠাই বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ভালো থাকবে , তাহলে বিদ্যুৎ জ্বালা নিয়ে থেকে শুরু করে বিভিন্ন সংকট সহজে নিদর্শন করা যাবে ।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, কৃষিকার্ড, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সরকার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে সহায়তা করছে। সরকার ভালো ভালো পদক্ষের দিকে আগাচ্ছে , কিন্তু ছয় মাসে অনেক কিছু করা সম্ভব নয়, সরকারকে সময় দিতে হবে ।

অনুষ্ঠানে জুলাই শহীদ পরিবারে সম্মাননা স্মারক প্রদান ও গণঅভ্যুত্থানের বিষয়ে আলোচনা হয়।

2