দুই মহাসড়কে ডাকাতি, অস্ত্র ও গুলিসহ ৮ ডাকাত গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৪ । ৭:১৭ অপরাহ্ণ
মুন্সীগঞ্জের ঢাকা-মাওয়া ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে একাধিক ডাকাতির ঘটনায় আন্তঃজেলা জেলা ডাকাত চক্রের ৮ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছে থেকে ১টি বিদেশি পিস্তল, ৩টি ম্যাগজিন ও ২৮ রাউন্ড গুলি সহ ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার শামসুল আলম সরকার।
তিনি জানান,দীর্ঘদিন ধরে রাতের আঁধারে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা মাওয়া মহাসড়কের নির্জন স্থানে যানবাহন থামিয়ে অস্ত্রের মুখে চালকসহ যাত্রীদের জিম্মি করে,বেশ কয়েকটি ডাকাতি সংঘটিত করেছে এই চক্রের সক্রিয় সদস্যরা। এ ঘটনার পর একটি ডাকাতি মামলার সূত্র ধরে আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
পুলিশ সুপার আরও জানান, মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে যানবাহন থামিয়ে সংঘবদ্ধ ভাবে ডাকাতির ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত সনাক্ত করে শীঘ্রই আইনের আওতায় আনা হবে।
পুলিশ সুপার জানান, গত ২৬ সেপ্টেম্বর ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের যশুরগাঁও এলাকায় ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলামের প্রাইভেটকার থামিয়ে তার পরিবারকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতি করে আন্ত:জেলা ডাকাত দল। এ ঘটনায় পরদিন মামলা রুজুর অভিযানে নামে পুলিশ। এরই অংশ হিসেবে গত বুধবার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে জড়িত মো: কামাল পহলানকে (৪২) ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অপর ডাকাড সদস্য মো: আলমগীর (৪৫), রাজিব হাওলাদার (৪৩), মো: মোখলেছ (২৩), মোঃ রবিন (২৩) ও মোহাম্মদ হেলালকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ সময় তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে ১টি বিদেশি পিস্তল ৩টি ম্যাগাজিন, ২৮ রাউন্ড গুলি, ২টি মোবাইল, ২টি বিদেশি হ্যান্ডব্যাগ, ২টি ডেবিট ও ১টি ক্রেডিট কার্ড উদ্ধার করা হয়।
অপরদিকে এ ঘটনার পরদিন ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ব্যবসায়ী তাজউদ্দিন ও চাইনিজ নাগরিক লিও’র গাড়ি রোধ করে ডাকাতি সংঘটিত করে আন্ত:জেলা ডাকাত চক্রের ১০ সক্রিয় সদস্য।
এ ঘটনায় গজারিয়া থানায় মামলা রুজুর পর পুলিশ উপজেলার একাধিক স্থানে অভিযান চালিয়ে রাহাত মিয়া (২১) ও মো: শাহীনকে (২২) গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে ডাকাতির ঘটনায় তারা জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। বর্তমানে তাদের আদালতে প্রেরণ করে রিমান্ড আবেদনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান পুলিশ সুপার।
এছাড়া ডাকাতির ঘটনায় অন্য কোন মোটিভের বিষয় আছে কিনা তা খতিয়ে দেখে অপর আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।
সম্পাদক : কাজী সাব্বির আহমেদ দীপু, প্রকাশক: নাদিম হোসাইন। ফোন : ০১৯৪৪৭৪৪৪৪০ , ই-মেইল : bikrampurpost@gmail.com কপিরাইট © বিক্রমপুর মেইল সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন