জুয়েল দেওয়ান, গজারিয়া
প্রকাশের সময়: বুধবার, ২০ মার্চ, ২০২৪ । ১২:৩৯ অপরাহ্ণ
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ব্যস্ততম সড়ক ভবেরচর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ-ভবেরচর বাজার সড়কে বৃষ্টি হলেই হাঁটু পানি জমায় যানবাহন ও পথচারিদের চলাচলে দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াও প্রতিনিয়ত সড়কের খানাখন্দে পড়ে পথচারি ও যানবাহন ঘটছে দুর্ঘটনা।
স্থানীয়দের অভিযোগ সড়কের দুই পাশে ভবন নির্মান ও পানি নিষ্কাশনের ড্রেন না থাকায় এমন দুর্ভোগের সৃষ্টি হচ্ছে। তারা আরো বলেন আমরা দীর্ঘ বছর থেকে পাকা সড়কটির পাশে ড্রেনের দাবি জানালেও কোন কাজে আসছে না। তবে দীর্ঘদিন থেকে বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলেও পানি নিস্কাশনের এখন প্রর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ।
সরেজমিন দেখা যায়, সড়কের ভবেরচর কেন্দ্রীয় গোরস্থান ও ল্যান্ডোভারী হাই স্কুলের সামনে মানুষ জলাবদ্ধতায় চরম ভোগান্তির স্বীকার হয়েছে। পাশাপাশি থাকা উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস, ভবেরচর ওয়াজীর আলী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, ভবেরচর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় এন্ড কলেজ, সোনালী ব্যাংক, কৃষি ব্যাংক, ভবেরচর বাজার, গজারিয়া কলিমউল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, কুমিল্লা পল্লী বিদ্যু সমিতিসহ বেশ কিছু ক্ষুদ্র ঋণের কার্যলয় রয়েছে। সাধারণ মানুষ ও কোমলমতি শিক্ষার্থীরা সড়কটি দিয়ে কষ্ট করে চলাচল করছে।
এ নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী রিপন সরকার বলেন, ভবেরচর বাজার প্রবেশ পথ এটা আর এখানেই জলাবদ্ধতা থাকে। প্রশাসন সবসময়ই এই জলাবদ্ধতার ওপর দিয়ে চলাচল করলেও তাদের তো আর সমস্যা হয় না। তারা গাড়িতে করে চলাচল করে। তবে আমাদের এই কষ্ট এবং সমস্যা সমাধানে কেউ কাজ করে না।
গজারিয়া কলিমউল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ এর অধ্যাপিকা ও গজারিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, স্কুল এর সমনে রাস্তাটি নিচু থাকায় সামান্ন বৃষ্টি হলেই হাঁটু সমান পানি জমে, আর এই পানি দিয়ে চলাফেরা করার কারণে স্কুল ও কলেজের শিক্ষির্থারী অনেকেই পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। দেওয়াল দিয়ে হেঁটে যায় এতে করে বাচ্চারা অনেক ঝুঁকিতে রয়েছে। আমি এই রাস্তাটির স্থায়ী সমাধানের জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাই।
জলাবদ্ধতার বিষয়ে জানতে চাইলে ভবেরচর ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য মানিক সরকার বলেন, একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তায় হাটু পানি জমে। আমার ওয়ার্ডের মানুষসহ, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র- ছাত্রীদের চলাচল খুবই কষ্টদায়ক হয়ে পড়ছে। আমি আমার এলাকার এই রাস্তাটি স্থানীয়ভাবে সমাধানের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকে জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে গজারিয়া উপজেলা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ছামিউল জানান, পানি নিষ্কাশনের জায়গা না থাকায় বৃষ্টি হলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। জলবদ্ধতার বিষয়টি সমাধানে জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।